# নিজস্ব প্রতিবেদক :-
সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে জেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে। আজ ৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বরে সৈয়দ আশরাফের ম্যুরালে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এমএ আফজলের নেতৃত্বে দলের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে।
উল্লেখ্য, বীরমুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ফুসফুসে ক্যান্সারজনিত কারণে ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি থাইল্যান্ডের বামবুদগ্রাদ হাসপাতালে ৬৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই দলীয় মনোনয়নে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন। এ নিয়ে তিনি মোট ৫ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার লাশ দেশে আনার পর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগায় ২০১৯ সালের ৫ জানুয়ারি স্মরণকালের সর্ববৃহৎ নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার ছাত্র জীবনের স্মৃতিবিজড়িত ময়মনসিংহ শহরে দ্বিতীয় জানাজা শেষে রাজধানীর বনানী গোরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে সমাহিত করা হয়। তার মৃত্যুর পর ছোটবোন ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি শূন্য আসনে উপ-নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
১৯৯৬ সালে সৈয়দ আশরাফ প্রথম কিশোরগঞ্জ সদর আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করে বিজয়ী হন এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ওয়ান ইলাভেন সরকারের সময়ে তিনি দলকে ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত করার কাজে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে স্মরণীয় ও সাহসী ভূমিকা পালন করেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তার দল সরকার গঠন করলে তিনি এলজিআরডি মন্ত্রী হন। পরের বারও দল সরকার গঠন করলে তিনি পুনরায় এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রী এবং দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন।