• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বজ্রপাতে ৪ জেলায় ১০ জনের মৃত্যু বাংলার জয়যাত্রা জাহাজের হরমুজ অতিক্রমের কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : শেখ রবিউল আলম উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী সরকার ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে : মাহদী আমিন হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ার সুখবর, জানালেন গভর্নর

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে: গভর্নর আহসান এইচ মনসুর

রোববার এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আস্তে আস্তে বাড়ছে এবং এটি এখন স্থিতিশীল।

তিনি বলেছেন, “আগে প্রতি মাসে আমাদের রিজার্ভ কমে আসছিল প্রায় ১৩০ কোটি ডলার হারে। তবে এখন তা পজিটিভ দিকে ফিরেছে।”

গভর্নর আরও বলেছেন যে সরকার ইতিমধ্যে সার, বিদ্যুৎ এবং আদানি-শেভরনের বকেয়া পরিশোধ করতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিয়েছে। শুধুমাত্র গত দুই মাসে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক জ্বালানি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবার জন্য প্রায় ১৮০ কোটি ডলারের বকেয়া পরিশোধ করেছে। ফলে, আমাদের অপরিশোধিত বিল ২৫০ কোটি ডলার থেকে কমে এখন ৭০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

৮ অক্টোবর পর্যন্ত, বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ১৯ দশমিক ৮২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। আর মোট রিজার্ভ এখন ২৪ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রাথমিক লক্ষ্য হল আগামী দুই মাসের মধ্যে বাকি বকেয়া পরিশোধ করা এবং নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ ঋণমুক্ত হওয়া। তিনি বলেছেন, “যদি আমরা এটি করতে সক্ষম হই, তাহলে আশা করা যায় বাজারে তারল্যের উন্নতি হবে।”

এই সব বকেয়া পরিশোধ করার ফলে অর্থনীতির ওপর চাপ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার ফলে অর্থনৈতিক কার্যক্রম গতি পাবে। অর্থনীতিকে আরও চাঙ্গা করতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

যদিও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর দেশের বাড়তে থাকা বৈদেশিক ঋণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন; যা এখন ১০৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এ কারণে ঋণ পরিশোধের চাপও বাড়ছে। তবে তিনি সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বর্তমান ঋণ সংকট থেকে বের হতে কমপক্ষে এক বছর সময় লাগবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *