লেবাননে যুদ্ধ থামাতে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হবে কিনা চিন্তাভাবনা করছে ইসরায়েল। কিন্তু এর জন্য তাদের কিছু শর্ত আছে, যেগুলোতে হয়তো লেবানন বা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রাজি হবে না।
ইসরায়েলের প্রথম শর্ত হল, তাদের সেনাবাহিনী আইডিএফকে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লেবাননে অভিযান চালানোর পুরো অনুমতি দিতে হবে। তারা চায়, লেবাননের ভেতরে হিজবুল্লাহ আবার সংগঠিত হওয়ার এবং সীমান্তের কাছে অস্ত্র নিয়ে ফিরে আসার সুযোগ না পায়। এজন্য ইসরায়েলি সৈন্যরা লেবাননে অভিযান চালাবে।
এছাড়া ইসরায়েলি বিমানবাহিনীকেও লেবাননের আকাশে অবাধে অভিযান চালানোর অনুমতি দিতে হবে।
ইসরায়েলের এই শর্তগুলো যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তার কাছেও অগ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে। তিনি মনে করেন, লেবানন বা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এগুলোতে রাজি হবে না।
এদিকে লেবাননের আঞ্চলিক নেতাদের সাথে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছেন। হোয়াইট হাউসের বিশেষ দূত আমোস হোচস্টেইনও সোমবার বৈরুত সফর করবেন।
এর মধ্যেই লেবানন ও গাজায় ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। স্কুল, আশ্রয়কেন্দ্র এমনকি হাসপাতাল পর্যন্ত তারা আক্রমণ করছে। তারা লোকজনকে আটক করছে এবং এলাকা থেকে বেরিয়ে যেতে বলছে।
এদিকে লেবাননের মানুষ হোচস্টেইনের সফর নিয়ে আশাবাদী নয়। অনেকের মতে, এটা সময়ের অপচয়।