• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বজ্রপাতে ৪ জেলায় ১০ জনের মৃত্যু বাংলার জয়যাত্রা জাহাজের হরমুজ অতিক্রমের কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : শেখ রবিউল আলম উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী সরকার ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে : মাহদী আমিন হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসায়ীরা আশ্বস্ত নন

বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসায়ীদের আস্থা নেই

সাম্প্রতিক সংলাপে ব্যবসায়ীরা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বাজার ব্যবস্থাপনার উন্নতিসাধনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। ব্যাংক খাতে উচ্চ সুদের হার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। সঙ্কটাপন্ন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ব্যবসায়ীদের মনে আস্থার সংকট বিরাজ করছে।

ব্যবসায়ীদের মতে, সরকারের উচিত বাজার ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলোতে মনোনিবেশ করা। কিন্তু সুদের হার বৃদ্ধি করে সরকার ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে তুলছে। বিশেষ করে যারা বর্তমানে গ্যাস এবং বিদ্যুতের সঙ্কটের মধ্যে রয়েছে। ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী মার্চ মাসের পর ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বাড়বে।

ব্যাংক খাতে সুদের হার 9-6 শতাংশ হওয়ায় ব্যবসায়ীরা তাদের শিল্প-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে সংগ্রাম করছেন। তারা জিজ্ঞাসা করছেন, “বর্তমান কারখানাগুলিও টিকে থাকতে পারছে না, নতুন কারখানাগুলি কীভাবে গড়ে উঠবে?”

একইভাবে, ব্যাংক খাতে সুশাসনের অভাব এবং জ্বালানি সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, এনবিআরের নীতি ও প্রশাসন পৃথক করা প্রয়োজন, যা এখনও করা হয়নি।

বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি সন্দেহ প্রকাশ করে বলেছেন যে, এস আলমদের মতো দুর্নীতিবাজদের কারণে পুরো ব্যবসায়ী সমাজকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। তারা বলছেন, গম, সার, ভোজ্যতেল, চিনি, মসুর ডাল এবং পেঁয়াজের মতো পণ্যের আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। কৃষকের বাজার, টিসিবি এবং জেলা প্রশাসন দ্বারা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।

সরকারি বাজেট নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, এই বাজেটটি এখনও পূর্ববর্তী সরকারের সময় করা হয়েছিল, যা সংশোধন করার প্রয়োজন রয়েছে।

সিপিডির সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, “পূর্ববর্তী সরকার জাতীয় আয়, মূল্যস্ফীতি এবং রপ্তানি আয়ের পার্থক্যের তথ্য বিকৃত করেছে।” তিনি আরও বলেন, “এই বিকৃত তথ্যের কারণে লেনদেনের ভারসাম্যে সমস্যা দেখা দিয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিকল করে দিয়েছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *