• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বজ্রপাতে ৪ জেলায় ১০ জনের মৃত্যু বাংলার জয়যাত্রা জাহাজের হরমুজ অতিক্রমের কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : শেখ রবিউল আলম উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী সরকার ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে : মাহদী আমিন হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

ঐতিহাসিক ও সামাজিক ঘটনা নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যাণে যাত্রা উৎসব

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ও সামাজিক ঘটনা নিয়ে যাত্রা উৎসব

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। কিছুদিন আগে একাডেমির নন্দন মঞ্চে লালন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। এবার শিল্পকলা একাডেমি যাত্রা উৎসবের উদ্যোগ নিয়েছে।

‘যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবে তুমি বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকার সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের মুক্তমঞ্চে সাত দিনব্যাপী উৎসবটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বর।

যাত্রাপালা ফিরে পাবে হারানো জৌলুশ

লোকঐতিহ্যের এক সমৃদ্ধ অংশ হলো যাত্রাপালা। ঐতিহ্য, চিন্তা এবং মূল্যবোধকে ধারণ করেই যাত্রাপালার বিস্তার। বাংলার প্রাচীন লোকসংস্কৃতির এই শাখাটি সবসময়ই গণমানুষের সাথে যুক্ত ছিল। যাত্রাপালা তৃণমূল মানুষের মনের আয়না হিসেবেও কাজ করে। তাই শিল্পকলা একাডেমি বিশ্বাস করে, মুক্তমঞ্চে আয়োজিত উৎসবে সমাজের সব শ্রেণীর শিল্পীদের উপস্থিতি জরুরি।

একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই উৎসবে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সাতটি যাত্রাদল নিবন্ধিত হয়েছে। প্রতিদিন একটি করে ‘ঐতিহাসিক ও সামাজিক’ ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত যাত্রাপালা পরিবেশন করবে এই দলগুলি। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত যাত্রাপালা মঞ্চস্থ হবে।

উৎসবের উদ্বোধনী আয়োজন হবে আগামী ১ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ইসরাফিল মজুমদার। বিশেষ অতিথি থাকবেন যাত্রাশিল্পী অনিমা দে। স্বাগত বক্তব্য দেবেন নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক ফয়েজ জাহির। সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি মহাপরিচালক, নাট্যনির্দেশক ও শিক্ষক সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উদ্বোধনী সন্ধ্যায় সুরুভী অপেরার ‘নিহত গোলাপ’ যাত্রাপালাটি পরিবেশিত হবে। এর পালাকার কবির খান এবং নির্দেশক আগন্তুক। পরের দিন একই সময়ে নিউ শামীম নাট্য সংস্থার পালা ‘আনারকলি’ থাকবে। এর পালাকার প্রসাদ কৃষ্ণ ভট্টাচার্য এবং নির্দেশক শামীম খন্দকার। ৩ নভেম্বর রবিবার বঙ্গবাণী অপেরার ‘মেঘে ঢাকা তারা’ যাত্রাপালা মঞ্চস্থ হবে। এর নির্দেশক মানস কুমার এবং পালাকার রঞ্জন দেবনাথ।

উৎসবের তৃতীয় দিন সোমবার নর-নারায়ণ অপেরার ‘লালন ফকির’ যাত্রাপালা মঞ্চস্থ হবে। এর নির্দেশক ব্রোজেন কুমার বিশ্বাস এবং পালাকার দেবন্দ্রনাথ। মঙ্গলবার বন্ধু অপেরার ‘আপন দুলাল’ যাত্রাপালা হবে। এটি নির্দেশনা দিয়েছেন মনির হোসেন, পালাকার শামসুল হক। ৬ নভেম্বর বুধবার শারমিন অপেরার ‘ফুলন দেবী’ যাত্রাপালা দেখা যাবে। এটি নির্দেশনা দিয়েছেন শেখ রফিকুল, পালাকার পুর্ণেন্দু রায়। শেষ দিন বৃহস্পতিবার যাত্রাবন্ধু অপেরার ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ যাত্রাপালা মঞ্চস্থ হবে। পালা নির্দেশক আবুল হাশেম এবং পালাকার শচীননাথ সেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *