• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বজ্রপাতে ৪ জেলায় ১০ জনের মৃত্যু বাংলার জয়যাত্রা জাহাজের হরমুজ অতিক্রমের কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : শেখ রবিউল আলম উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী সরকার ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে : মাহদী আমিন হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংকের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে লোকসান

ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের প্রতিটি শেয়ারের লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৫ পয়সা। গত বছর একই সময়ের তুলনায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য পতন, কেননা গত বছর তাদের প্রতিটি শেয়ারে লাভ হয়েছিল ৫৯ পয়সা।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সংস্থা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি গত বৃহস্পতিবার তার তৃতীয় প্রান্তিকের অডিট করা হয়নি এমন আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
গত বুধবার, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের একটি বৈঠকে এই তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা এবং অনুমোদন করা হয়, এরপরে এটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
ইসলামী ব্যাংকের এই তৃতীয় প্রান্তিকের লোকসানের কারণ হিসাবে বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় প্রভিশন বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের প্রান্তিকে লোকসান হলেও, ইসলামী ব্যাংক চলতি বছরের প্রথম দুটি প্রান্তিকে ভালো মুনাফা অর্জন করেছে। ফলে, তৃতীয় প্রান্তিকের লোকসান সত্ত্বেও, চলতি বছরের প্রথম নয় মাস বা তিনটি প্রান্তিকে ব্যাংকটি মোটামুটি মুনাফা করেছে। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, সংস্থাটি প্রতিটি শেয়ারে ১ টাকা ৬৬ পয়সা আয় করেছে। গত বছর এই সময়ের মধ্যে, ইসলামী ব্যাংক প্রতিটি শেয়ারে ২ টাকা ৭২ পয়সা লাভ করেছিল।
চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৫ টাকা ৩৭ পয়সা। গত বছরের একই প্রান্তিকে এটি ছিল ৪৪ টাকা ১৪ পয়সা।
এক সময় কর্পোরেট শাসনে ইসলামী ব্যাংকের একটি ভালো অবস্থান ছিল। কিন্তু ২০১৭ সালে ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। ব্যাংকের মালিকানা গ্রহণের পর থেকে, এই চট্টগ্রাম ভিত্তিক গ্রুপটি কমপক্ষে ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে বের করে নিয়েছে। এ ছাড়াও, বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের কারণে গত সাত বছরে ইসলামী ব্যাংকের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর, ইসলামী ব্যাংককে এস আলম গ্রুপের হাত থেকে মুক্ত করা হয়েছে। এর পরিচালনা পর্ষদও ভেঙে দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *