• বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন |

বিদ্যালয়ে লটারি ভর্তির রেজিস্ট্রেশন বাড়ানো

লটারির মাধ্যমে স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তিতে রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়ল

প্রথম থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য সব শূন্য আসনের বিবরণসহ রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা বাড়িয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী সোমবার (১০ নভেম্বর) পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলবে। এর আগে শুক্রবার (৮ নভেম্বর) পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করার সময় ছিল।

মাউশির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে দেশের সব মহানগরী ও জেলা সদর উপজেলার সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে করার লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের শূন্য আসন ও অন্যান্য তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৮ নভেম্বর পর্যন্ত।

কিন্তু কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রেজিস্ট্রেশন কাজ সময়মতো শেষ করতে পারেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের আবেদনের প্রেক্ষিতে রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা ১০ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত সর্বশেষ ভর্তি নীতিমালা মেনে রেজিস্ট্রেশন ফরমে তথ্যাদি জমা দিতে হবে। একটি শ্রেণি বা শাখায় সর্বোচ্চ ৫৫ জন শিক্ষার্থী নেওয়া যাবে।

ঢাকা মহানগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন সর্বোচ্চ তিনটি থানাকে ক্যাচমেন্ট এরিয়া হিসেবে নির্ধারণ করতে হবে।

রেজিস্ট্রেশন ফরমে ব্যাংক-সংক্রান্ত তথ্য জমা দিতে গেলে প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে অবশ্যই অনলাইন ব্যাংক হিসাব নম্বর ও রাউটিং নম্বর দিতে হবে। কোনো প্রকার অ্যানালগ নম্বর দেওয়া যাবে না।

রেজিস্ট্রেশন ফরমে ভুল তথ্য দেওয়া হলে এবং এ কারণে পরবর্তী সময়ে জটিলতা সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

১২ নভেম্বর থেকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। এরপর ডিসেম্বরে ভর্তির লটারি অনুষ্ঠিত হবে।

গত বছরের করোনা সংক্রমণের কারণে সব শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছিল। এবারও একই প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে।

এবার কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর আগে বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যা ও পুত্র-কন্যা না থাকলে তাদের নাতি-নাতনির জন্য ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের নিয়ম ছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যাদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত থাকবে। এই কোটায় শিক্ষার্থী না পাওয়া গেলে মেধাতালিকা থেকে এই আসনে ভর্তি করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *