• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বজ্রপাতে ৪ জেলায় ১০ জনের মৃত্যু বাংলার জয়যাত্রা জাহাজের হরমুজ অতিক্রমের কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : শেখ রবিউল আলম উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী সরকার ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে : মাহদী আমিন হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

অস্বাভাবিক ভোটার স্থানান্তর হয়েছে, ইসির তথ্য যথাযথ নয়: বিএনপি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) যে ভোটার স্থানান্তরের তথ্য দিয়েছে, তা যথাযথ নয়। বিভিন্ন এলাকায় অস্বাভাবিক ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ রয়েছে। বেশি স্থানান্তরের হিসাব বাস্তব চিত্র তুলে ধরে না এবং এই বিষয়গুলোতে ইসির নজরদারি জরুরি।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বৈঠক করে। দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন বিএনপি চেয়ারম্যান উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, নির্বাচন কমিশন সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জকরিয়া।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনসিসি ছাত্রদের নির্বাচনে যুক্ত রাখার কথা বলা হয়েছিল। জটিল রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তাদের জড়ানো ঠিক হবে না। সেক্ষেত্রে তাদের প্রতিষ্ঠান বিতর্কিত হতে পারে। এরপর স্কাউট, গার্লস গাইডদের যুক্ত করার কথা আসতে পারে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেই শুধু নির্বাচনের কাজে রাখা উচিত।
স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, নির্বাচনের দিন বিভিন্ন এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার নামে একটা করে ‘শান্তি কমিটি’ গঠনের আলোচনা শুনেছি। ‘শান্তি কমিটি’ শব্দটাই আমাদের জন্য আপত্তিকর। ইসি বলেছে, এমন কমিটির ব্যাপারে তারা কিছু জানেন না। নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা নিজ নির্বাচনি এলাকার বাইরে কাজ করছে বলে শুনেছি। কিন্তু তারা স্থানীয় কেউ না। নির্বাচনের দুই দিন আগে তারা যেন সেসব এলাকা ছেড়ে চলে যায় সেটির ব্যাপারে আমরা অনুরোধ জানিয়েছি।
পর্যবেক্ষক নিয়োগে অনিয়মের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৫৫ হাজারের বেশি স্থানীয় পর্যবেক্ষককে নিয়োগ দিয়েছে কমিশন। যাদের অনেকেই পরিচিত না। আমরা ইসি বিবেচনার মাধ্যমে এটি করেছে কি না জানতে চেয়েছি। আমরা বলেছি যাদের সক্ষমতা আছে তাদেরই পর্যবেক্ষণ করা উচিত। বিভিন্ন এলাকায় ভোটার স্থানান্তর হয়েছে যা অস্বাভাবিক। ইসি সংশ্লিষ্ট বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছেন কোনো আসনেই দুই-তিন হাজারের বেশি স্থানান্তর হয়নি। আমরা এই উত্তরে সন্তুষ্ট হতে পারিনি। ইসিকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। এমন হোল্ডিং নাম্বার যেখানে পাঁচজনের বেশি থাকার কথা না সেখানে ২০, ২৫ জন ভোটার থাকার অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। এরাই ভুয়া ভোটার বা ভোটার মাইগ্রেশনে জড়িত। ইসির এ ব্যাপারে নজর দেওয়া দরকার। ইলেকটোরাল এনকোয়্যারি কমিটি যেন দৃশ্যমান হয়, সে ব্যাপারে ইসিকে আহ্বান জানিয়েছি।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের কথা উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, এমন সব আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে যা শুধু আইন ভঙ্গ নয়, ধর্মীয় বিশ্বাসকেও আঘাত হানছে। অথচ ইসি ব্যবস্থা নিচ্ছে না। কবরে চতুর্থ প্রশ্ন হবে নির্দিষ্ট কোনো প্রতীকে ভোট দেওয়া হয়েছে কি না। এটা হাস্যকর নয়, দুঃখজনক। আরপিওর স্পষ্ট লঙ্ঘন। মানুষের আবেগ ও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে খেলছে একটি দল। ফ্যাক্ট চেক করে দেখা গেছে এই বক্তব্যগুলো এ.আই জেনারেটেডও না।

ভোটার স্থানান্তরের তথ্য সঠিক নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিপুল পরিমাণে ভোটার মাইগ্রেশনের তথ্য চাইলে বিএনপি দেবে। তবে এই তথ্য মূলত আছে ইসির কাছে। আমাদের ধারণা, ইসির দুই-তিন হাজার মাইগ্রেশনের তথ্য সঠিক নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *