• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বজ্রপাতে ৪ জেলায় ১০ জনের মৃত্যু বাংলার জয়যাত্রা জাহাজের হরমুজ অতিক্রমের কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : শেখ রবিউল আলম উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী সরকার ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে : মাহদী আমিন হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

তারেক রহমানের সঙ্গে বসতে রাজি

নির্বাচনকে স্বীকৃতি দিতে রাজি না হলেও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলে তার সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।
সাক্ষাৎকারে হাসিনাপুত্র বলেন, আমি এমন একজন মানুষ, যে সবসময় আলোচনায় বিশ্বাস করে। তা যত কঠিনই হোক বা যার সঙ্গেই হোক। এটাই আমার কৌশল। জীবনে সবসময়ই এভাবেই চলেছি।
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা জয়ের সাক্ষাৎকার নেয় বৃটিশ সংবাদমাধ্যম আইটিভি। বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোরে এ সাক্ষাৎকার সম্প্রচার করা হয়।
ত্রয়োদশ নির্বাচনের ফলাফলকে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ স্বাগত জানালেও নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ বলে উল্লেখ করেছেন জয়। তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় দল এবং সব প্রগতিশীল দলকে নির্বাচন থেকে বাইরে রাখা হয়েছে। মূলত এমনভাবে সাজানো একটি নির্বাচন হয়েছে, যাতে সবচেয়ে বড় ইসলামপন্থি দল জামায়াতে ইসলামী তাদের জনসমর্থনের তুলনায় অনেক বেশি প্রভাব সংসদে পায়।
দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের একটি নিষিদ্ধ– এমন নির্বাচনকে কীভাবে গ্রহণযোগ্য বলা যায়? যুক্তরাজ্যে যদি টোরি বা লিবারেলদের যে কোনো একটি দল নিষিদ্ধ করা হতো, সেটার সমতুল্য পরিস্থিতি এটি। একে কোনোভাবেই অবাধ ও সুষ্ঠু বলা যায় না।
আওয়ামী শাসনামলে জামায়াত নিষিদ্ধ প্রসঙ্গে জয় বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেনি। তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আদালতের রায়ের কারণে। জামায়াত তাদের গঠনতন্ত্র সংশোধন করলে আবার নির্বাচনে অংশ নিতে পারত তখন।
আওয়ামী লীগ আমলের তিনটি নির্বাচনে কারচুপির ব্যাপক অভিযোগ ছিল– এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি পুরোপুরি সঠিক নয়। গত তিনবারের মধ্যে প্রথম ও তৃতীয়বার বিরোধী দল নির্বাচন বর্জন করেছিল।
এখন যদি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও বিদেশি সাংবাদিকরা তাদের মূল্যায়নে বলেন – ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে, তাহলে মেনে নেবেন কিনা? এ প্রশ্ন রাখা হয় জয়ের কাছে। তিনি বলেন- না, মেনে নেওয়া যায় না। দেশে যে অল্পসংখ্যক বিদেশি পর্যবেক্ষক রয়েছেন, তারা সরকারের তত্ত্বাবধানে চলাচল করছেন। সত্যি বলতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও এতটাই খারাপ যে সেটি নিরাপদ নয়। তাহলে তারা আসলে কতটা পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছেন?
দেশে ফেরার বিষয়ে হাসিনাপুত্র বলেন, অবশ্যই ফিরব। দেখুন– তারেক রহমান, যিনি ‘দণ্ডিত’ হয়েছিলেন, তিনি এখন সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী। এসব পরিস্থিতি চিরস্থায়ী হয় না।
শেখ হাসিনা কখনও বাংলাদেশে ফিরবেন কিনা, সেই প্রশ্নে জয় বলেন, আমার কোনো সন্দেহ নেই, তিনি একদিন ফিরবেন। তবে এই মুহূর্তে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা ‘একেবারেই নিরাপদ হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *