• শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন |

ট্রাম্পকে হারালো কমলা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আরেক মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায়। শেষ মুহূর্তে এসে দেখা যাচ্ছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমলা হ্যারিস, তার রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে এগিয়ে গেছেন। রয়টার্স এবং ইপসোস কর্তৃক সঞ্চালিত জরিপে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।

সর্বশেষ এই জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চেয়ে তিন পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন। সোমবার শেষ হওয়া রয়টার্স/ইপসোস জরিপে, ভোটগ্রহণে অংশগ্রহণকারী নিবন্ধিত ভোটারদের 46% জানিয়েছেন, তারা কমলা হ্যারিসকে ভোট দেবেন। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন 43% ভোটার। তার আগের সপ্তাহে করা রয়টার্স/ইপসোস জরিপে 45% ভোটার কমলা হ্যারিসকে এবং 42% ভোটার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়েছিলেন।

রয়টার্স এবং ইপসোসের সর্বশেষ দুটি জরিপেই দেখা গেছে যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবস্থা এবং অভিবাসন নিয়ে ভোটাররা অসন্তুষ্ট। ট্রাম্পের অবস্থান এসব বিষয়ে ভোটারদের পক্ষে রয়েছে। জরিপে দেখা গেছে নথিভুক্ত 70% ভোটার মনে করেন, জীবনযাপনের ব্যয় ভুল পথে যাচ্ছে। 60% ভোটার মনে করেন, অর্থনীতি ভুল পথে যাচ্ছে। 65% অভিবাসন নীতির বিষয়ে একই রকম মতামত পোষণ করেন।

ভোটাররা বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমানে মূল তিনটি সমস্যা হলো অর্থনীতি, অভিবাসন এবং গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। এসব বিষয়ে কোন প্রার্থীর অবস্থান ভালো, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্পের পক্ষে সমর্থন বেশি দেখা গেছে। জরিপে দেখা গেছে, অর্থনীতির বিষয়ে ট্রাম্পের পক্ষে 46% এবং কমলার পক্ষে 38% সমর্থন রয়েছে। অভিবাসনের ক্ষেত্রে, ট্রাম্প এবং কমলার পক্ষে সমর্থনের হার 48% এবং 35%।

যদিও রাজনৈতিক উগ্রবাদ এবং গণতন্ত্রের জন্য হুমকির মোকাবিলায় ট্রাম্পের চেয়ে হ্যারিসের ওপর মার্কিন ভোটারদের আস্থা বেশি। জরিপে দেখা গেছে, 42% ভোটার রাজনৈতিক উগ্রবাদ এবং গণতন্ত্রের জন্য হুমকির মোকাবিলায় কমলা হ্যারিসের প্রতি সমর্থন দিয়েছেন। অন্যদিকে, ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন রয়েছে 35% এর। গর্ভপাত এবং স্বাস্থ্যসেবা নীতির ক্ষেত্রে কমলা, ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, পরবর্তী প্রেসিডেন্টের মেয়াদের প্রথম 100 দিনে কোন বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অভিবাসন বিষয়টি এখানে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পেয়েছে। 35% ভোটার মনে করেন, নতুন প্রেসিডেন্টকে সবার আগে অভিবাসন নিয়ে নজর দেওয়া উচিত। অন্যদিকে, 11% ভোটার আয় বৈষম্য এবং 10% স্বাস্থ্যসেবা এবং করের কথা বলেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *