বিসিবি জাতীয় ক্রিকেট লিগ: মারুফের ঝড়ে রাজশাহী বিধ্বস্ত
জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডও ভেজা আউটফিল্ডের কারণে duটি ম্যাচের প্রথম দিনের খেলা দেখল না। তবে বাকি দু’টি ম্যাচে বোলারদের দাপট ছিল দেখার মতো।
বি কে এস পির মাঠ নম্বর চারে ঢাকা মেট্রোর মারুফ মৃধা আগুনে বোলিং করছিলেন। আর সেই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল রাজশাহী বিভাগ। তবে পাশের মাঠে ঢাকা ও রংপুর বিভাগের ম্যাচের প্রথম দিন একটিও বল নিক্ষেপ করা হয়নি।
খুলনা শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামেও সারাদিনে কোনো বল নিক্ষেপ হয়নি। সেখানে আজ শুরু হওয়ার কথা ছিল খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ম্যাচটি। অন্যদিকে, সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম বিভাগকে ১৯৮ রানে আটকে দিয়েছেন সিলেটের বোলাররা।
ইমার্জিং এশিয়া কাপের স্কোয়াডে থাকায় জাতীয় লিগের প্রথম রাউন্ডে খেলেননি সর্বশেষ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া মারুফ মৃধা। আজ দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে এই বামহাতি পেসারের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট অভিষেক হলো। শুরুটাও ছিল চোখে পড়ার মতো। ঢাকা মেট্রোর হয়ে ১১.২ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে ৬টি উইকেট শিকার করেন মৃধা, রাজশাহীর ব্যাটিংয়ে যা ভূমিকম্প তুল্য।
আনিসুল ইসলামের মিডিয়াম পেস বলও ছিল কার্যকর। ৬ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩টি উইকেট পান তিনি। দুই বোলারের বদৌলতে মাত্র ২৮.২ ওভারে ৭৭ রানে অল আউট হয়ে যায় রাজশাহী। প্রথম রাউন্ডের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান করা দলটির জন্য এটা ছিল দুর্যোগের সামিল। জবাবে দিন শেষে ঢাকা মেট্রো ৫ উইকেটে করেছে ১৩৮ রান। শামসুর রহমান (৩৭) ও তাহজিবুল ইসলাম (১২) অপরাজিত রয়েছেন।
রাজশাহী: ২৮.২ ওভারে ৭৭ (মোহর ১৯, মেহরব ১৩; মৃধা ৬/২২, আনিস ৩/১০)
ঢাকা মেট্রো: ৫০.২ ওভারে ৫/১৩৮ (শামসুর ৩৭*, আমিনুল ৩২; সাব্বির ২/২৩, শফিকুল ১/১৭)
চট্টগ্রাম টেস্টের জন্য ঘোষিত ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে রয়েছেন জাকির হাসান। কিন্তু ২৯ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া টেস্টে জাকিরের একাদশে থাকার সম্ভাবনা নেই। তাই সিলেটের বিপক্ষে আজকের ম্যাচে চট্টগ্রাম বিভাগকে নেতৃত্ব দিতে দেখা গেল জাকিরকে। বোলারদের জোরে সিলেট শুরুটা ভালোই পেয়েছে। ইমার্জিং এশিয়া কাপ থেকে দলে ফেরা রেজাউর রহমান ও অভিষেক পেসার তোফায়েল আহমেদ দু’জনেই নিয়েছেন ৩টি করে উইকেট। ফলে ৪৫.২ ওভারে ১৯৮ রানে অল আউট হয় চট্টগ্রাম। ইয়াসির আলী সর্বোচ্চ করেন ৭৩ রান।
জবাবে সিলেটের ব্যাটিংও ভালো শুরু হয়নি। ৩৮ ওভারে ৫টি উইকেট হারিয়ে সিলেটের সংগ্রহ ১১৪ রান।
চট্টগ্রাম: ৪৫.২ ওভারে ১৯৮ (ইয়াসির ৭৩, পারভেজ ৩৪; রেজাউর ৩/৩৯, তোফায়েল ৩/৪৬)
সিলেট: ৩৮ ওভারে ৫/১১৪ (অমিত ২৭, নাসুম ২১*; ইফরান ২/২৭, আশরাফুল ১/১৮)