• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বজ্রপাতে ৪ জেলায় ১০ জনের মৃত্যু বাংলার জয়যাত্রা জাহাজের হরমুজ অতিক্রমের কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : শেখ রবিউল আলম উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী সরকার ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে : মাহদী আমিন হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

সুরা মুলক রজনীর প্রহরী

সুরা মুলক: রাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ

সুরা মুলক কুরআনের ৬৭তম সুরা। এটি মক্কার প্রথম দিকে অবতীর্ণ হয়। এতে মাত্র দুই রুকু এবং ত্রিশটি আয়াত রয়েছে। এই সুরাটি আল্লাহ তায়ালার সর্বশক্তিমানতা এবং আমাদের প্রতি তাঁর অপার অনুগ্রহের কথা তুলে ধরে।

রাসুল (সা.)-এর বাণী

নবীজি (সা.) বলেছেন, "কুরআনে একটি সুরা রয়েছে যার ত্রিশটি আয়াত আছে। যে ব্যক্তি এটি পড়বে, সেই সুরা তাঁর জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে এবং তাঁকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে।" (তিরমিজি, ২৮৯১)

রাতে সুরা মুলক তিলাওয়াতের গুরুত্ব

প্রতি রাতের যেকোনো সময়ে সুরা মুলক পড়া বিশেষ সুন্নত। হাদিসে বর্ণিত আছে যে, রাসুল (সা.) ঘুমাতে যাওয়ার আগে সুরা মুলক এবং সুরা সাজদা পড়তেন না। (তিরমিজি, ২৮৯২)

এর অর্থ এই নয় যে, দিনের বেলায় সুরা মুলক পড়া যাবে না। যেকোনো সময়েই পড়া যায়। তবে রাতের বেলায় এটি বিশেষ জিকির হিসেবে পড়লে অনেক সওয়াব পাওয়া যায়। নামাজের সঙ্গেও এটি পড়া উত্তম।

সুরার বিষয়বস্তু

সুরা মুলকের বিষয়বস্তু হলো:

  • আল্লাহর সার্বভৌমত্ব এবং সৃষ্টির মধ্যে তাঁর পরিপূর্ণ ক্ষমতা
  • সৃষ্টিজগতের উদ্দেশ্য এবং এর সূক্ষ্ম ব্যবস্থাপনা
  • আল্লাহর সৃষ্টির নিখুঁততা এবং তাঁর শাস্তির প্রতি সতর্কীকরণ
  • বিশ্বাসীদের প্রতি আল্লাহর দয়া এবং অবিশ্বাসীদের ভবিষ্যত শাস্তি
  • মানুষের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের গুরুত্ব এবং আল্লাহর ইচ্ছার সামনে নম্রতা

সুরাটির ভাগসমূহ

সুরা মুলককে ছয়টি ভাগে ভাগ করা যায়:

  1. প্রতিপাদ্য: আল্লাহর সার্বভৌমত্ব এবং শক্তি (১-৪ আয়াত)
  2. জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা (৫-১৫ আয়াত)
  3. আসন্ন বিপদের সতর্কীকরণ (১৬-২২ আয়াত)
  4. আল্লাহর অনুগ্রহের স্মরণ (২৩-২৪ আয়াত)
  5. কেয়ামতের প্রশ্ন এবং তারিখের অনিশ্চয়তা (২৫-২৭ আয়াত)
  6. আল্লাহর প্রতি নির্ভরতা এবং তাঁর শাস্তির মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান (২৮-৩০ আয়াত)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *