ডিমের সুস্বাদু কাহিনি: ডেভিলড এগ ডে
ডিম বহুদিন ধরেই আমাদের খাদ্যতালিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সহজলভ্য, পুষ্টিকর এবং সস্তা হওয়ায় এটি এখন ‘দামি’ একটি খাবার হয়ে উঠেছে। তবে পুষ্টিমানের দিক থেকে ডিম একটি মূল্যবান খাদ্য উপাদান। খাবার হিসেবেই শুধু নয়, ডিম আসলে প্রাণেরও শুরু। বেশিরভাগ মানুষেরই প্রিয় খাবার ডিম। তাৎক্ষণিক খাবার হিসেবে এর তুলনা হয় না। তবে ডিম নিয়ে ‘ঘোড়ার ডিম’ এর মতো কুসংস্কারও রয়েছে।
প্রাচীন মিশরীয়রা ডিমকে পবিত্র বস্তু বলে মনে করত। তারা মন্দিরে ডিম রেখে যেত। প্রাচীন রোমানরা ডিমকে ভবিষ্যৎদর্শী বলে মনে করত। তারা ভাগ্য জানার জন্য ডিমের সাহায্য নিত। ডিমকে সৌভাগ্যের প্রতীক বিবেচনা করে তারা ডিমের খোসা দিয়ে বাড়ির মেঝে সাজাত। তবে আমাদের দেশে বিপরীত চিত্র। শুভ কাজের আগে, বিশেষ করে পরীক্ষার আগে ডিম খাওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
ডিম একটি দুর্দান্ত বহুমুখী খাদ্য। এটি ভাজা, ভর্তা, সেদ্ধ বা তরকারি হিসেবে রান্না করে খাওয়া যায়। এছাড়াও ডিম আরও নানানভাবে খাওয়া যায়। এমনই একটি রেসিপি হল ডেভিলড এগ। ডিম পছন্দকারীরা এই বিষয়টি সম্পর্কে হয়তো জানেন।
ডেভিলড এগ তৈরি করতে হলে ডিমগুলোকে একটু বেশি সেদ্ধ করতে হবে। তারপর দুই ভাগে কাটতে হবে। ভেতর থেকে ডিমের কুসুম বের করে সেই কুসুমের সঙ্গে মেয়নিজ, সরষে বা আচারের মতো উপাদান মেশাতে হবে। এই পেস্ট আবার ডিমের সাদা অংশের ভেতর বসাতে হবে। আর হয়ে গেল সুস্বাদু ডেভিলড এগ। স্বাদের তীক্ষ্ণতা বোঝাতেই মূলত ‘ডেভিলড’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
আজ ২রা নভেম্বর, ‘ডেভিলড এগ’ দিবস। ডিমের এই অসাধারণ রেসিপিটি তৈরি করে খাওয়া এবং খাওয়ানোর দিন। এটি আমেরিকায় পালিত হয়। কবে এবং কীভাবে এটি শুরু হয়েছিল তা অবশ্য নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। তাতে কি! আজই এই রেসিপিটি বানিয়ে একটু ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতা নিন।