• শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন |

কমলা ও ট্রাম্পের ‘অন্যরকম’ মুখোমুখি

কমলা হ্যারিসের সাথে হলো ট্রাম্পের ‘মুখোমুখি’

গত শনিবার, মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদের প্রার্থী হিসেবে ডেমোক্র্যাটিক দলের কমলা হ্যারিস উত্তর ক্যারোলাইনায় নির্বাচনী প্রচারে যান।

শার্লট বিমানবন্দরে কমলার বিমান অবতরণ করার পর তিনি এমন একটা অস্বাভাবিক দৃশ্য দেখতে পান যা তাঁকে ‘স্বাগত’ জানাতে বসে ছিল।

সেটা কী দৃশ্য ছিল?

কমলার বিমানের ঠিক পাশেই পার্ক করা ছিল আরেকটি বিমান। এই বিমানটির রঙ লাল, সাদা এবং নীল। বিমানের গায়ের উপর লেখা ছিল ‘ট্রাম্প’। অর্থাৎ, বিমানটি ছিল কমলার প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

কমলা বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি উত্তর ক্যারোলিনায় এয়ার ফোর্স টু-তে গিয়েছিলেন, যা মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টদের জন্য নির্দিষ্ট একটি বিমান।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের ছবিতে দেখা যাচ্ছে, কমলা শার্লট বিমানবন্দরে তাঁর এয়ার ফোর্স টু-এর সিঁড়ি বেয়ে নামছেন। আর তার কাছেই পার্ক করা আছে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত বোয়িং ৭৫৭ বিমান (ট্রাম্প ফোর্স ওয়ান)।

শার্লট বিমানবন্দরে ট্রাম্পের বিমান থাকার মানে হলো, তিনিও সেখানে নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছেন।

নির্বাচনী প্রচারের জন্য উত্তর ক্যারোলিনায় গিয়ে কমলার সাথে সরাসরি দেখা হয়নি ট্রাম্পের। তবে আকস্মিকভাবে কমলা ট্রাম্পের বিমানটিকে দেখতে পান।

এভাবে ‘মুখোমুখি’ হওয়ার ঘটনাটি এটা বুঝিয়ে দেয় যে, সবশেষ মুহূর্তের নির্বাচনী প্রচারে দুই প্রার্থীই কয়েকটি রাজ্যকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাদের পুরো দৃষ্টি এখন এই কয়েকটি নির্দিষ্ট রাজ্যকে ঘিরে।

এর আগে টানা চার দিন ধরে একই দিনে একই অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছেন এই দুই প্রার্থী।

আগামী মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে সাতটি অঙ্গরাজ্যকে ‘লড়াইয়ে জয়-পরাজয়ের মুখ্য কারণ’ বলে মনে করা হচ্ছে। এইসব অঙ্গরাজ্যে জয়-পরাজয় নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করতে পারে। আর এই সাতটি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে অন্যতম হলো উত্তর ক্যারোলাইনা।

উত্তর ক্যারোলাইনায় মার্কিন রক তারকা বন জভির সাথে একটি নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দেওয়ার কথা ছিল কমলার।

অন্যদিকে, কমলার উত্তর ক্যারোলাইনায় আসার কয়েক ঘণ্টা আগে সেখানকার গ্যাস্টোনিয়ায় নির্বাচনী প্রচার চালান ট্রাম্প।

কমলা যখন বিমানবন্দরে নেমেছিলেন তখন ট্রাম্প তাঁর বিমানে ছিলেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।

নির্বাচনী প্রচারের শেষ মুহূর্তে ট্রাম্প এবং কমলা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একে অপরকে আক্রমণ করছেন।

ট্রাম্প বলেছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে লাখ লাখ অভিবাসীকে বিতাড়িত করবেন। আর কমলা জয়লাভ করলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শহর বিপজ্জনক শরণার্থী শিবির হয়ে উঠবে।

কমলা বলেছেন, ট্রাম্প যদি হোয়াইট হাউসে ফিরে আসেন তবে তিনি তাঁর ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন। ট্রাম্প অস্থির এবং প্রতিশোধ নিতে খুব বেশি উৎসাহী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *