• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বজ্রপাতে ৪ জেলায় ১০ জনের মৃত্যু বাংলার জয়যাত্রা জাহাজের হরমুজ অতিক্রমের কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : শেখ রবিউল আলম উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী সরকার ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে : মাহদী আমিন হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

ভাইয়ের সুস্থতার জন্য প্রার্থনা

ভাইয়ের জন্য হজরত মুসার দোয়া

ফেরাউনের প্রাসাদে বড় হয়েছিলেন হজরত মুসা (আ.)। একবার তাঁর হাতে অনিচ্ছায় এক কিবতির মৃত্যু হয়ে যায়। নিষ্ঠুর ফেরাউন তাই হজরত মুসাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ভয়ে পড়ে যান। তাই তিনি ফেরাউনের রাজ্য থেকে পালিয়ে যান।

অহংকারী ফেরাউন আল্লাহকে মানতেন না। নিজেকেই খোদা বলে দাবি করতেন। তাঁকে সঠিক পথ দেখানোর জন্য আল্লাহ হজরত মুসাকে নির্দেশ দেন। তখন মুসা (আ.) আল্লাহর কাছে দোয়া করেন,

‘হে আমার প্রতিপালক, আমার বুকের ভার লাঘব করুন, আমার কাজ সহজ করে দিন। আমার জিহ্বার জড়তা দূর করুন, যাতে লোকজন আমার কথা বুঝতে পারে। আমার আত্মীয়দের মধ্য থেকে আমার জন্য একজন সহযোগী তৈরি করুন।’ (সুরা ত্বহা, আয়াত: ২৫-২৯)

হজরত মুসার (আ.) জিহ্বার জড়তা দূর করার এই দোয়া পরে পূর্ণ হয়।

পরে হজরত মুসা (আ.) তাঁর ভাই হারুনকেও নবী করার জন্য দোয়া করেন। আল্লাহ এই দোয়াও মঞ্জুর করেন। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, তখনই হজরত হারুনকে নবুয়ত দেওয়া হয়।

হজরত মুসা (আ.) আল্লাহর কাছে বলেন, ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাদের অন্তরের কথা জানেন। আমাদের নবী নির্বাচন করে ও ফেরাউনের মতো শত্রুদের সঠিক পথ দেখানোর জন্য আমাদের তাঁর কাছে পাঠিয়ে আপনি অনুগ্রহ দেখিয়েছেন। আমরা আপনারই কৃতজ্ঞতা জানাই। সব প্রশংসা আপনার।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *