• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বজ্রপাতে ৪ জেলায় ১০ জনের মৃত্যু বাংলার জয়যাত্রা জাহাজের হরমুজ অতিক্রমের কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : শেখ রবিউল আলম উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী সরকার ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে : মাহদী আমিন হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

পঞ্চগড়ে চা কারখানায় ৪.৫ লাখ টাকার জরিমানা বিধান

পঞ্চগড়ে একটি চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মৈত্রী টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামের ওই কারখানাকে শর্ত না মানা এবং মিথ্যা তথ্য দেওয়ার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত এই জরিমানা আরোপ করেছে। জরিমানা দিতে না পারলে প্রতিষ্ঠানের মালিককে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সুরিভিটা-হেলিপ্যাড এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা করা হয়। জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টরেট (এনডিসি) আমিনুল হক তারেক এই অভিযান পরিচালনা করেন।

বাংলাদেশ চা-বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয় জানিয়েছে যে, পঞ্চগড়ের চা শিল্পের সমস্যা সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলীর উদ্যোগে গত দুই মাসে চারবার চা-সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে সভা করা হয়েছে। এই সভাগুলোতে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, কাঁচা চা-পাতার সর্বনিম্ন দাম প্রতি কেজি ১৭ টাকা নির্ধারণ করা হবে। এই সিদ্ধান্তগুলো মানা হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য একটি মনিটরিং টিমও গঠন করা হয়েছে।

চাষিদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন গতকাল বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। কিছু কারখানার মালিকরা নিয়মনীতি না মেনে চাষিদের কাছ থেকে কাঁচা চা-পাতা কিনে তা থেকে তৈরি চা বিক্রি করছেন। মৈত্রী টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড কারখানার ক্ষেত্রে ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখেছে যে, তারা চাষিদের ন্যায্যমূল্য দেয়নি, চাষিদের সরবরাহ করা কাঁচা চা-পাতার ওজন থেকে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিয়ে দাম দিয়েছে এবং মিথ্যা তথ্য দিয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের অপরাধ স্বীকার করার পর ভ্রাম্যমাণ আদালত সাড়ে চার লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করেছে। অনাদায়ে কারখানা মালিককে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে। কারখানা কর্তৃপক্ষ ভ্রাম্যমাণ আদালতেই জরিমানা পরিশোধ করেছে।

চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকর্তা আমির হোসেন বলেছেন যে, জেলা প্রশাসন ও চা বোর্ড পঞ্চগড় চা-শিল্পের উন্নয়নের জন্য চা-সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। যারা এই সিদ্ধান্তগুলো মানবেন না, নিয়মনীতি মানবেন না এবং চাষিদের ন্যায্যমূল্য দেবেন না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *