বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, “একজন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বলেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত ছিল। তিনি দেশবিরোধী কোনও চুক্তিতে সই করেননি বলেই তাকে কারান্তরীণ করে তিলে তিলে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।”
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর গুলশানে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল ফোরাম ঢাকা এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজভী বলেন, ভারতের ঝাড়খণ্ড থেকে যে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসছে, সেই প্রকল্প খোদ ভারত সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় একসময় বাতিল করে দিয়েছিল। কিন্তু ফ্যাসিবাদের সময় সেই বিতর্কিত ও দেশবিরোধী প্রকল্পটি বাংলাদেশে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়াকে দিয়ে এ ধরনের অসম চুক্তি করানও সম্ভব ছিল না বলেই তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, “বাংলাদেশে এখনও যে বিপুল পরিমাণ কয়লা এবং প্রাকৃতিক গ্যাস সঞ্চিত রয়েছে, সেগুলো কুক্ষিগত করার জন্য আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক মহাশক্তিগুলো গভীর ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।”
আয়োজকরা জানান, প্রদর্শনীতে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ও সংগ্রামী জীবনের বিরল সব আলোকচিত্র স্থান পেয়েছে, যা আগামী আরও দুই দিন দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল ফোরামের সভাপতি মারুফা রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আতিকুর রহমান রুমন এবং দৈনিক করোতোয়া সম্পাদক হেলালুজ্জামান লালুসহ বিএনপির স্থানীয় নেতারা।