• রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন |

মেসির হ্যাটট্রিক পুনরায়, মায়ামির পয়েন্টের রেকর্ড ভাঙলো

মাত্র ৩ দিন পর আবারও হ্যাটট্রিক করলেন লিয়োনেল মেসি। ১৬ অক্টোবর তিনি হ্যাটট্রিক করেছিলেন আর্জেন্টিনার হয়ে, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে বলিভিয়ার বিপক্ষে সেই হ্যাটট্রিকে ছেলেদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ ১০ হ্যাটট্রিকের রেকর্ডধারী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ড ছুঁয়েছিলেন মেসি। আর্জেন্টাইন তারকা এবার হ্যাটট্রিক করেছেন ক্লাব ফুটবলে, ইন্টার মায়ামির হয়ে।

মেসির হ্যাটট্রিক ও লুইস সুয়ারেজের জোড়া গোলের সাহায্যে আজ যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) নিউ ইংল্যান্ডকে ৬-২ ব্যবধানে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। এই জয়ে এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমে সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়ার রেকর্ড ভঙ্গ করেছে ফ্লোরিডার দলটি।

নিউ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাওয়া ৩ পয়েন্টে এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমে মেসিদের মোট পয়েন্ট হয়েছে ৭৪, যা ২০২১ সালে এই নিউ ইংল্যান্ডের ৭৩ পয়েন্টের রেকর্ডের চেয়ে ১ বেশি।

আন্তর্জাতিক ফুটবলের কারণে মায়ামির কোচ জেরার্ডো মার্তিনো শুরুর একাদশে মেসিকে রাখেননি। ৫৮ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে গোলের ফোয়ারা ছুটিয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। আজকের হ্যাটট্রিক নিয়ে এমএলএসের এ মৌসুমে ১৯ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা এখন ২০টি। তার সাবেক বার্সেলোনা সতীর্থ লুইস সুয়ারেজও জোড়া গোল করে সংখ্যাটা নিয়ে গেছেন ২০-এ। সুয়ারেজ মেসির সমান গোল করেছেন ২৭ ম্যাচ খেলে।

যদিও ম্যাচের শুরুটি মায়ামির জন্য অন্যরকম ছিল। ২ মিনিটেই গোল খেয়ে বসে তারা, ৩৪ মিনিটে নিউ ইংল্যান্ড ব্যবধান ২-০ করে। ৪০ থেকে ৪৩—এই তিন মিনিটের মধ্যে সুয়ারেজের জোড়া গোলে অবশ্য ২-২ সমতায় প্রথমার্ধ শেষ করে মায়ামি।

৫৮ মিনিটে মেসি মাঠে নামার পরপরই বেঞ্জামিন ক্রিমাশ্চির গোলে এগিয়ে যায় মায়ামি। ৭২ মিনিটে মায়ামির জালে বল পাঠিয়েও গোল পায়নি নিউ ইংল্যান্ড। ভিএআরের সাহায্য নিয়ে গোলটি বাতিল করেন রেফারি। এরপরই শুরু মেসি-ম্যাজিক।

৭৮ থেকে ৮৯—১১ মিনিটের মধ্যে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন আর্জেন্টাইন তারকা। মেসির তিনটি গোলকে বলা যায় মায়ামির ‘বার্সা-শো’। ৭৮ মিনিটে তার প্রথম গোলটিতে সহায়তা করেন বার্সেলোনার সাবেক স্ট্রাইকার সুয়ারেজ, ৮১ মিনিটে মেসির দ্বিতীয় গোল বার্সেলোনার আরেক সাবেক তারকা জর্দি আলবার সহায়তায়, ৮৯ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করা গোলে আবার অবদান সুয়ারেজের।

ম্যাচ শেষে মেসিকে বদলি হিসেবে নামানো এবং তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে মায়ামির কোচ মার্তিনো বলেছেন, ‘বড় একটা চোটের পর তার সেরে ওঠা এবং আবার দলের সঙ্গে যুক্ত করা নিয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হয়েছে। জাতীয় দল এবং আমরাও এটা নিয়ে খুব সতর্ক ছিলাম।’

মার্তিনো এরপর যোগ করেন, ‘আমার মনে হয় যে বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ের মুখোমুখি হওয়ার আগে তাকে আমরা আদর্শ শারীরিক অবস্থায় পেয়েছি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *