• শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন |

কৃষি উদ্যোগে নেত্রীত্ব দিচ্ছে ৫টি জেলা, ৫১১টি গাছ রোপণ

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে গাছ লাগায় জেসিআই এবং লাইটশোর

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বাড়ছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বাংলাদেশকে বিরূপ প্রভাব থেকে রক্ষা করতে জেসিআই ঢাকা ফাউন্ডারস এবং লাইটশোর নেটওয়ার্ক "গ্রিন ফিউচার" নামে দুই মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিয়েছে।

১৯ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে জেসিআই ঢাকা ফাউন্ডারসের সঙ্গে যৌথভাবে মজার স্কুলের মানিকনগর ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে "গ্রিন ফিউচার" প্রকল্পের সমাপ্তি ঘটেছে। এ সময় জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ১২১ জন শিশুর সচেতনতামূলক সেমিনার হয়। এটি পরিচালনা করেন ফাউন্ডারসের সভাপতি নাহিদ হাসান।

এই প্রকল্পের আওতায় গত সেপ্টেম্বর থেকে ময়মনসিংহের মথবাড়িয়া হাইস্কুলে ৮৬টি, খুলনার বেদকাশী কলেজিয়েট স্কুলে ১৫০টি, মির্জাপুরের শ্রীপুর বৈরাগীর চালা উচ্চবিদ্যালয়ে ৬০টি, গাজীপুরের হাজী জমির উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ে ৭০টি, ভোলার মজার স্কুলের মনপুরা ক্যাম্পাসে ১৩০টি এবং মানিকনগরের ক্যাম্পাসে ১৫টি গাছ রোপণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জেসিআই ফাউন্ডারসের ভিপি সুলতানা রাজিয়া, ফাউন্ডারসের ভাইস প্রেসিডেন্ট তালুকদার সাব্বির আহমেদ এবং মজার স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আরিয়ান আরিফ।

মজার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা আক্তার বলেছেন, "বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানটি আমার জন্য এক সুন্দর অভিজ্ঞতা ছিল। জলবায়ু বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার আমাকে শিখিয়েছে যে গাছ আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং অক্সিজেন সরবরাহ করে। আমিও একটি গাছ রোপণ করেছি এবং মনে হয় আমি আমাদের পরিবেশের জন্য একটি ইতিবাচক অবদান রেখেছি। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কীভাবে ছোট ছোট পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে সেটাও আমি ভালোভাবে বুঝেছি।"

জেসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট সুলতানা রাজিয়া বলেছেন, "শুধু গাছ লাগানোটাই আমাদের লক্ষ্য নয়। গাছের যত্ন এবং বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে আমরা কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করতে পারি, শিশুদের সেই বিষয়েও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। তাপমাত্রা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমানোর জন্য বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।"

মজার স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আরিয়ান আরিফ বলেছেন, "আজকের বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠান ছিল আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানোর জন্য একটি অর্থপূর্ণ পদক্ষেপ। এ ধরনের আয়োজনে শিশুদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং প্রকৃতি সংরক্ষণের গুরুত্ব বুঝার মাধ্যমে তাদের ভূমিকা খুবই প্রণোদনাদায়ক। জেসিআই ঢাকা ফাউন্ডারস এবং মজার স্কুল শুধুমাত্র বৃক্ষরোপণ করেনি, আমাদের শিশুদের জন্য একটি বাসযোগ্য এবং সুন্দর পৃথিবী গঠনের লক্ষ্যেও তারা নিজেদের ভূমিকা রাখছে।"

ময়মনসিংহের স্বপ্নবিলাশ অ্যাসোসিয়েশন, গাজীপুরের লাল সবুজ সোসাইটি, খুলনার আলোকিত করি এবং ঢাকা ও মনপুরায় মজার স্কুল এই "গ্রিন ফিউচার" প্রকল্পের স্থানীয় অংশীদার হিসেবে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করে।

জেসিআই ঢাকা ফাউন্ডারস ভবিষ্যতে আরও সচেতনতা এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে সবুজ এবং টেকসই একটি পৃথিবী গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *