আরব দেশগুলির এসব নায়িকাদের কতটা চেনেন বাংলাদেশিরা?
একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিসরীয় অভিনেত্রী মিনা সালাবি। তিনি টিভি সিরিজ ‘এভরি উইক হ্যাজ আ ফ্রাইডে’ দিয়ে পরিচিতি পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিসরের আরেক তারকা ডালিয়া এল বেহেরি। ১৯৯০ সালে তিনি ‘মিস ইজিপ্ট’ হয়েছিলেন এবং সেই বছরই মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় মিসরের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।
‘দ্য আইল্যান্ড ২’ এবং ‘দ্য কোভেন্যান্ট’ সহ বিভিন্ন সিনেমা এবং সিরিজের জন্য আলোচিত হয়েছেন আরওয়া গুদাহ। এই মিসরীয় তারকাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
২৬ বছর বয়সী অভিনেত্রী মায়ান এল সায়েদ তরুণদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। তিনিও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন মিসরের আরেক তরুণ অভিনেত্রী ক্যারোলিন আজমি।
টিভি এবং চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জনপ্রিয়তা পেয়েছেন আমিনা খলিল। তিনিও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে জড়িত। মিসরে তিনি জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
আলজেরীয়-ফিলিস্তিনি অভিনেত্রী নাসরিন তাফিস অভিনয়ের পাশাপাশি গানেও পারদর্শী। তিনিও অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন।
‘আয়জা আটগাওয়েজ’ সিরিজে অভিনয়ের জন্য আলোচিত হয়েছেন তিউনিশিয়ান-মিসরীয় অভিনেত্রী হেন্ড সাব্রি। তিনিও এই অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি দিয়ে আলোকিত করেছেন।