• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বজ্রপাতে ৪ জেলায় ১০ জনের মৃত্যু বাংলার জয়যাত্রা জাহাজের হরমুজ অতিক্রমের কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : শেখ রবিউল আলম উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী সরকার ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে : মাহদী আমিন হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

নির্বাচন নিয়ে বিএনপির ব্যস্ততা: কারণ খুঁজে বের করুন

হেলো، এটি একটি রিপোর্টের অনুবাদ এটি টিএনটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। অনুগ্রহ করে এটি পড়ুন:

নির্বাচন নিয়ে বিএনপির তাড়াহুড়ার কারণ

৭ নভেম্বর, বিএনপি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে।
একই দিন প্রথম আলোর নওগাঁ প্রতিনিধির পাঠানো রিপোর্টের শিরোনাম: ‘আমার এই নম্বরে এক লক্ষ টাকা পাঠিয়ে দেন।’ এই ঘটনায় দুই নেতার কথোপকথনের অডিও লিক হয়েছে। এতে অভিযোগ উঠেছে, নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা বিএনপির সহ-যুব সম্পাদক বেলাল হোসেনের (সৌখিন) বিরুদ্ধে মামলার আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে এক আওয়ামী লীগ নেতার কাছ থেকে ঘুষ দাবি করেছেন।

একই দিন প্রথম আলো যশোর অফিস থেকে পাঠানো আরেকটি রিপোর্ট: যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হারুন অর রশিদকে "সব কাজ না পেয়ে" পাঁচ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী দলের সদস্য এ.কে. শরফুদ্দৌলার নেতৃত্বে গত বৃহস্পতিবার হামলা করে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

গত ১২ অক্টোবর প্রথম আলোর রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ৫ আগস্টের ঘটনার পর হামলা, দখল, অর্থ দাবি, আধিপত্য বিস্তার, দলীয় নির্দেশনা অমান্যসহ নির্দিষ্ট অভিযোগে ১ হাজার ২৩ জন নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গত এক মাসে এই ঘটনা আরও বেড়েছে, নওগাঁ ও যশোরের ঘটনা তার প্রমাণ।

বিএনপির হাইকমান্ড শক্ত অবস্থান নিয়েও তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের শামলাতে পারছেন না। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তারা বলেন, বিএনপি বিশাল দল, হাজার নেতা-কর্মী; কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা তো ঘটবেই।

তবে, অঘটনের সংখ্যা যখন হাজারের ওপর চলে যায়, তখন আর সেটি বিচ্ছিন্ন থাকে না। তা সহজাত হয়ে যায়।

বিএনপি দলীয় নেতা-কর্মীদের বেপরোয়া আচরণের কারণে নির্বাচন নিয়ে তাড়াহুড়া করছে দলের নেতৃত্ব মনে করছে, নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হলে সব নেতা-কর্মী তাতে ঝাঁপিয়ে পড়বেন, সাংগঠনিক কার্যক্রমের মাধ্যমে দলে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাইবেন।

নির্বাচন নিয়ে বিএনপির তাড়াহুড়ার অন্যান্য কারণ হলো: সরকারের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রমাণ করা। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রশ্নে অনড় অবস্থান নিয়ে দলটি নিজেদের অবস্থান সুসংগত করার চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনামলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সবচেয়ে বেশি দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন। এই স্মৃতি মানুষের মন থেকে মুছে যাওয়ার আগে নির্বাচন হলে বিএনপি তার সুবিধা পাবে বলে মনে করে দলটি।

বিএনপির নেতৃত্ব মনে করে, কোনো কারণে আওয়ামী লীগ যদি নির্বাচন করতে না পারে, তাহলে তাদের কিছু ভোটারের সমর্থনও বিএনপি পাবে। ছাত্র আন্দোলনের পর বিএনপির নেতাদের বক্তৃতা-বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের সমর্থনকেও তারা ইতিবাচকভাবে দেখছে।

ইতিহাসের পরিহাস হলো, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে বিএনপির নেতাদের বক্তৃতা নিয়ে ক্ষমতাসীনরা প্রায়ই ঠাট্টা-মশকরা করতেন। বলতেন, তোরা বোরা পাহাড় থেকে এসেছিস। আজ সেই ঠাট্টাই আওয়ামী লীগের কাছে ফিরে এসেছে।

বিএনপির আরেকটি ভয়, ১/১১-এর পর ক্ষমতাসীনরা দুই নেত্রীকে বাদ দিয়ে কিংস পার্টি গঠন করেছিল; যদিও তা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। এবারও সে রকম কিছু হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। সেক্ষেত্রে, বিএনপি চায় সম্ভাব্য কিংস পার্টি গঠনের আগেই নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হোক।

শুরু থেকেই ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও বিএনপির নেতৃত্বের মধ্যে বিতর্ক চলে আসছে। ছাত্রনেতারা মনে করেন, রাজনৈতিক দলগুলি ১৫ বছর ধরে আন্দোলন করলেও শেখ হাসিনার সরকারকে সরাতে পারেনি। তারা পেরেছেন। অন্যদিকে, বিএনপিসহ আন্দোলনকারী দলগুলি দাবি করে, অবিরত আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই রাজনৈতিক নেতৃত্ব শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান শেষ ধাক্কাটি দিয়েছে।

বিতর্কটি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ করা না-করার বিষয় নিয়ে চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। ছাত্রনেতারা স্বৈরাচারী শাসনের ‘শেষ প্রতীক’ মুছে ফেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপি ও তার সহযোগীদের দৃঢ় ধারণা, এতে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে এবং নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে, যা দেশকে অরাজকতার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় হলো, নির্বাচন কবে হবে? কীভাবে হবে? সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সংস্


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *