• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৭ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বজ্রপাতে ৪ জেলায় ১০ জনের মৃত্যু বাংলার জয়যাত্রা জাহাজের হরমুজ অতিক্রমের কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : শেখ রবিউল আলম উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী সরকার ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে : মাহদী আমিন হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীতে সবজির বাজারে স্বস্তি, মাছ মাংসের দাম চড়া

রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরেই রয়ে গেছে মাছ ও মাংসের বাজার। তবে লেবুর চেয়েও কম দামে মিলছে ডিম।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মিরপুর, মহাখালী ও রামপুরাসহ বেশ কয়েকটি বাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় প্রতিটি সবজির দাম কেজিপ্রতি কমবেশি ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। শীতকালীন সবজির শেষ সময় হলেও সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরছে। টমেটো প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৫০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ২০ থেকে ৩০ টাকা, শিমের বিচি ৭০ থেকে ১০০ টাকা, প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। দেশি পেঁয়াজ ও আলুর দাম কিছুটা কমেছে, যা নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর। আলু প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি এবং পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি।
এদিকে, সবজির বাজারে হাসি থাকলেও মাছ ও মাংসের দোকানের সামনে গিয়ে ক্রেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ছে। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ২০০ টাকার নিচে নামছেই না। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৯০ থেকে ৩৫০ টাকায়। আর গরুর মাংসের কেজি ৮০০ থেকে ৮৪০ টাকা এবং খাসির মাংস ১২০০ টাকার উপরে স্থায়ী রূপ নিয়েছে।
মাছের বাজারে ছোট থেকে শুরু করে বড় মাছ সবকিছুর দামই চড়া। চাষের পাঙ্গাশ বা তেলাপিয়াও কেজিপ্রতি ২১০ থেকে ২৫০ টাকার নিচে মিলছে না। বড় সাইজের চিংড়ি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০০ টাকায়, শৌল মাছ প্রতি কেজি ৮০০ টাকা, ভেইদা মাছ ৮০০ টাকা, রুই মাছ ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি। এছাড়া, চাষের পাবদা, কই, শিং, কাতলের দামে স্থিতিশীলতা রয়েছে। তবে সাধ্যের মধ্যে আছে ডিমের দাম, এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১৩০ টাকা।
ক্রেতারা বলছেন, সবজি কিনতে এসে কিছুটা ভালো লাগছে, কিন্তু মাছ বা মাংসের দিকে তাকালে বাজেটে কুলিয়ে ওঠা যাচ্ছে না। সপ্তাহের ব্যবধানে মাংসের দাম কমার কোনো নাম নেই।
অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে পর্যাপ্ত যোগান থাকায় দাম তেমন একটা বাড়েনি। সবজি তো পানির দামেই পাওয়া যাচ্ছে। তবে মাছ ও মাংস ব্যবসায়ীরা বলছেন ভিন্ন কথা। খামারিদের মাছ চাষ করতে খরচ বেড়ে গেছে তাই বেশি দামে আমাদের কিনতে হচ্ছে। এছাড়া, মুরগীর খাবারের দাম বাড়ার অভিযোগ তুলে খামারিরা বেশি দামে বিক্রি করছে এবং রমজান উপলক্ষে গরুর দামও বেড়েছে কিছুটা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *