• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বজ্রপাতে ৪ জেলায় ১০ জনের মৃত্যু বাংলার জয়যাত্রা জাহাজের হরমুজ অতিক্রমের কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : শেখ রবিউল আলম উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী সরকার ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে : মাহদী আমিন হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

নারী-পুরুষ পারিশ্রমিক ব্যবধানের বিরুদ্ধে কারিনার লড়াই অব্যাহত

নারী-পুরুষ অভিনেতাদের পারিশ্রমিকের ফারাক নিয়ে কারিনার লড়াই

বলিউডে নারী-পুরুষ অভিনেতাদের পারিশ্রমিকের ফারাক নিয়ে রীতিমতো রুখে দাঁড়িয়েছেন অনেক অভিনেত্রী। বিদ্যা বালান, কৃতি শ্যানন থেকে আলিয়া ভাট পর্যন্ত সকলেই বলেছেন যে, আজকের দিনেও বলিউড ইন্ডাস্ট্রির এখনও পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা রয়ে গেছে। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি’র সাক্ষাৎকারে পারিশ্রমিকের এই ফারাক নিয়ে মুখ খুলেছেন কারিনা কাপুর খান।

কারিনা দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় জগতে রয়েছেন। শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানের মতো তারকার সঙ্গে কাজ করেছেন। কিন্তু এসব খানদের মতো পারিশ্রমিক কখনও পাননি কারিনা।

এমনকি, নিজের স্বামী সাইফ আলী খানের মতোও পারিশ্রমিক পান না তিনি। ২০০৩ সালে ‘কাভি আলবিদা না কেহনা’ ছবিতে কাজ করার জন্য শাহরুখ খানের মতো পারিশ্রমিক চেয়েছিলেন তিনি। এর ফলে, সেই ছবি থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, এই নিয়ে প্রযোজক করণ জোহরের সঙ্গেও তার মনোমালিন্য হয়েছিল বলে জানা যায়।

সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে কারিনা বলেছেন, তিনি সমান পারিশ্রমিকের দাবিতে লড়াই করছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘না মানে না। এখন যদি আমার মনে হয়, আমার চরিত্র বা আমার গুরুত্ব অনুযায়ী আমাকে ঠিক পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে না, তাহলে আমি সেই কাজ করব না। আমি অপেক্ষা করব। তাঁরা যেন এটা বুঝতে পারেন যে, আমিও আমার পুরুষ সহ-অভিনেতাদের মতোই গুরুত্বপূর্ণ।’

শুধু নিজের কথা বলেননি, কারিনা পরবর্তী প্রজন্মের অভিনেত্রীদেরও পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘না বলার অর্থ এই নয় যে, তারা আত্মবিশ্বাসী নয়। বরং না মানে না। যে বিষয়ে নিজেদের স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না, সেটা পোশাক হোক, খাবার হোক বা কাজের বিষয় হোক, যদি মনের মতো না হয়, তাহলে না বলে দেওয়াটাই ভালো। আমার মনে হয়, না বলার মধ্যেই আত্মবিশ্বাস খুঁজে পাওয়া যায়।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *