• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন |

যন্ত্রনাতে প্রাণ যায়, আর তোমরা বলছ খুশি থাক!

অন্তঃসত্ত্বা থাকা কি আনন্দের? এ প্রশ্নের উত্তর দিলেন অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে!

মাতৃত্ব স verdad মধুর, কিন্তু এই সময়ে নতুন মাকে অনেক কষ্টও পোহাতে হয়। সেই সংগ্রামের কথা সকলের সামনে তুলে ধরেছেন অন্তঃসত্ত্বা অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে। সব ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে চলেছেন এই অভিনেত্রী, যা অভিনয় হোক কিংবা সিনেমা নির্বাচনে হোক। তাই গর্ভবতী হওয়ার খবরটিও নিজের মতো করেই সকলের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন রাধিকা। লন্ডনের একটি চলচ্চিত্র উৎসবে প্রকাশ্যে এসেছে রাধিকার বেবিবাম্পের ছবি।

রাধিকার স্বামী ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী ও সুরকার বেনেডিক্ট টেলর। বিয়ের ১২ বছর পর মা হতে চলেছেন অভিনেত্রী। শুধু তাই নয়, গর্ভবতী হওয়ার পর থেকে তার জীবনে বেশ কিছু পরিবর্তনও এসেছে।

বাড়িতে আমি সম্পূর্ণ অন্য একজন মানুষ: রাধিকা আপ্তে

যদিও সন্তান নিয়ে কোনো পরিকল্পনা ছিল না বলেই জানিয়েছেন রাধিকা। এ কারণে বিষয়টি মানতে সময় লেগেছিল প্রথম দুই সপ্তাহ। সেই সঙ্গে গর্ভাবস্থার শুরুতে মায়েদের কেমন কষ্ট হয়, সেটিও স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন তিনি।

গর্ভাবস্থা খুব কঠিন এবং কষ্টকর সময়, সেটি আসলে কেউ বলে না। কিছু মানুষের হয়তো তেমন সমস্যা হয় না। তবে সন্তানধারণ করা একটি খুব কঠিন বিষয় এবং শরীরে মারাত্মক পরিবর্তন আসে

অভিনেত্রী বলেন, পেট ফোলা, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যার কারণে প্রথম ১৩ সপ্তাহ পর্যন্ত ভীষণ কষ্ট পেয়েছিলেন। বমি বমি ভাবের বিষয়টি তো আছেই। যদিও শারীরিক কষ্ট থাকলেও কাজ থামিয়ে রাখেননি অভিনেত্রী। টানা তিন মাস ৪০ ডিগ্রি গরমে সিনেমার শুটিং করেছেন।

বেবি বাম্প প্রদর্শন করে রাধিকা জানালেন, মা হতে চলেছেন তিনিরাধিকা বলেন, ‘গরমে গলে যাওয়ার মতো অবস্থা হত। খুব কষ্ট হত। সবাই বলত আমার সব সময় আনন্দে থাকা উচিত। কারণ, আমি মা হতে চলেছি। তাদের বলতাম, আমি যন্ত্রণায় মরে যাচ্ছি, আর তোমরা খুশি থাকতে বলছ!’

তিনি বলেন, গর্ভাবস্থা খুব কঠিন এবং কষ্টকর সময়, সেটি আসলে কেউ বলে না। এই সফর মোটেই মজা করে কাটানো যায় না। কিছু মানুষের হয়তো তেমন সমস্যা হয় না। তবে সন্তানধারণ করা একটি খুব কঠিন বিষয় এবং শরীরে মারাত্মক পরিবর্তন আসে।

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় দুটি সিনেমার কাজ করেছেন রাধিকা। চলতি বছরের ডিসেম্বরেই ঘর আলো করে আসবে রাধিকা-বেনেডিক্টের সন্তান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *