দক্ষিণ কোরিয়ায় বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ইংরেজি ভাষার গুরুত্বের কারণে বিদেশি ছাত্রছাত্রীরা পছন্দের বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। তবে, খণ্ডকালীন কাজ করার জন্য কোরিয়ান ভাষার দক্ষতা থাকা বাঞ্ছনীয়। এটি পড়াশোনার পাশাপাশি জীবনযাত্রার খরচ কমানোর পাশাপাশি স্কলারশিপ পাওয়ার ক্ষেত্রেও সহায়ক।
বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত সংস্থা ওইসিডি এর অন্তর্ভুক্ত দেশ দক্ষিণ কোরিয়া। এটি শিক্ষা এবং গবেষণার ক্ষেত্রে উচ্চ মানের জন্য সুপরিচিত।
সাম্প্রতিক কয়েক বছরে, দেশটির শীর্ষস্থানীয় ৫টি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের শীর্ষ শতকে স্থান পেয়েছে। এগুলো হলো:
দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল, ফলে ছাত্রছাত্রীদের চাকরি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই। প্রতিটি শিল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে বিদ্যমান নানান চাকরির সুযোগ ভবিষ্যতে নিরাপদ কর্মজীবন নিশ্চিত করে।
শহুরে অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার মানের কারণে দক্ষিণ কোরিয়াকে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেড়ে চলা মাথাপিছু আয় এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দেশটির অগ্রগতিকে আরও তুলে ধরেছে। প্রযুক্তিতে উন্নতির ফলে এটিকে পূর্ব এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রযুক্তিভিত্তিক দেশ হিসেবে গণ্য করা হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষ ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা:
শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের নিজস্ব অনলাইন পোর্টাল ব্যবহার করে। ভর্তি কার্যক্রমের সময়কাল এবং প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ভিন্ন হয়ে থাকে। তাই ভর্তির আবেদন জমা দেওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে সবকিছু যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।
সাধারণত সেমিস্টার শুরুর তিন থেকে চার মাস আগে ভর্তির আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয়। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি ভর্তি মৌসুম থাকে:
ভর্তির আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র:
মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য অতিরিক্ত নথিপত্র:
পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য অতিরিক্ত নথিপত্র:
ভর্তির অফার লেটার হাতে পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ হল ভিসার জন্য আবেদন করা। বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীদের দীর্ঘমেয়াদী অধ্যয়নের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার D-2 ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এই ভিসায় সাধারণত প্রাথমিকভাবে দুই বছরের মেয়াদ দেওয়া হয় এবং একক প্রবেশে তা তিন মাসের জন্য কার্যকর থাকে। আবেদন করতে সরাসরি কোরিয়ান ভিসা পোর্টালে যেতে হবে: https://www.visa.go.kr/openPage.do?MENU_ID=1020408
এই লিংকের ফর্ম পূরণ করে ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র আপলোড করতে হবে। এরপরে, ই-ফর্মটি বারকোডসহ প্রিন্ট করে আপলোডকৃত নথির হার্ডকপির সঙ্গে একসঙ্গে কোরিয়ান দূতাবাস বা কনস্যুলেটে জমা দিতে হবে।