যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য চেভেনিং স্কলারশিপ বেশ জনপ্রিয়। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর এই বৃত্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এবারের আবেদনের শেষ দিন ৫ নভেম্বর। chevening.org ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া আছে।
যুক্তরাজ্যের ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিস (এফসিও) এবং তাদের সহযোগী সংস্থাগুলি এই বৃত্তি অর্থায়ন করে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ দেওয়াই এই বৃত্তির মূল উদ্দেশ্য। এই বৃত্তির আওতায় যুক্তরাজ্যের যেকোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছরের স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পাওয়া যায়।
স্নাতক ডিগ্রিতে দ্বিতীয় শ্রেণির ফল আবেদনের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা। যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে ভর্তির সাধারণ নিয়ম অনুসারে আবেদন করতে হবে। বৃত্তির জন্য আবেদনকারীদের অবশ্যই কিছু কাজের অভিজ্ঞতা এবং আইইএলটিএস পরীক্ষায় ন্যূনতম ৬.৫ স্কোর থাকতে হবে।
বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৪০০ জন চেভেনিং বৃত্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেছেন। এই বৃত্তি সম্পূর্ণ ফ্রি। এছাড়া বিমানের টিকিট ও থাকার ব্যবস্থাও বৃত্তিতে দেওয়া হয়।
নেতৃত্বের ভিত্তিতে দেওয়া বৃত্তিগুলির মধ্যে চেভেনিং সেরা। চিকিৎসকসহ সবাই এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারেন। এই বৃত্তি পেলে যুক্তরাজ্যের ১৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো একটিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য পড়াশোনা করার সুযোগ পাওয়া যায়।
বৃত্তি প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সামাজিক দক্ষতা, নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা এবং নিজের দেশ ও সমাজের ওপর তাদের ইতিবাচক প্রভাবের দিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৃত্তির মাধ্যমে পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরে শিক্ষার্থীদের দুই বছর কাজের অঙ্গীকার করতে হয়।
চেভেনিং বৃত্তির আবেদন অনলাইনে করতে হয়। যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট কোর্সেও আবেদন করতে হবে। আবেদনের জন্য বেশ কিছু কাগজপত্র দরকার হয়। ইংরেজি ভাষায় দুটি রেফারেন্স লেটার, পাসপোর্ট/জাতীয় পরিচয়পত্র এবং সর্বশেষ পড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ আবেদনের আগে জমা দিতে হয়। বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হওয়ার পর যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি থেকে ভর্তির ‘অফার লেটার’ সংযুক্ত করতে হবে। প্রাথমিক নির্বাচনের পর মৌখিক পরীক্ষায় মুখোমুখি হতে হয় ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনে। chevening.org ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করা যাবে।